মিসওয়াক শরীফের ২৫ টি বরকত
হযরত আল্লামা সায়্যিদ আহমদ তাহতাভী হানাফী رَحۡمَۃُ اللّٰہ ِعَلَیہِ “ হাশিয়াতুত তাহতাভী ” তে মিসওয়াক এর উপকারীতা ও ফযীলত এভাবে উদ্ধৃত করেন:
(১) মিসওয়াক শরীফকে আবশ্যক করে নাও, এর থেকে উদাসীন হয়াে না। তা সর্বদা করতে থাকো, কেননা এতে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি নিহিত রয়েছে।
(২) সর্বদা মিসওয়াক করতে থাকলে রােজগারে সহজতা এবং বরকত হয়ে থাকে।
(৩) মাথা ব্যথা দূর হয়ে যায়।
(৪) কফ দূর করে।
(৫) দৃষ্টি শক্তি প্রখর করে।
(৬) পাকস্থলী ঠিক থাকে।
(৭) শরীরে শক্তি যােগায়।
(৮) স্বরণশক্তি প্রখর করে এবং জ্ঞান বৃদ্ধি করে।
(৯) অন্তরকে পরিচ্ছন্ন করে।
(১০) নেকী বৃদ্ধি পায়।
(১১) ফিরিশতারা খুশি হয়।
(১২) মিসওয়াক শয়তানকে অসন্তুষ্ট করে দেয়।
(১৩) খাবারকে হজম (পরিপাক) করে।
(১৪) সন্তান জন্মদানে বৃদ্ধি লাভ করে।
(১৫) বার্ধক্য দেরীতে আসে।
(১৬) পেটকে শক্তিশালী করে।
(১৭) শরীরে আল্লাহ্ তাআলার আনুগত্যের জন্য শক্তি জোগায়।
(১৮) মৃত্যুর যন্ত্রণা সহজ এবং কলেমা শাহাদাত স্বরণ করিয়ে দেয়।
(১৯) কিয়ামতে আমল নামা ডান হাতে দেয়ায়।
(২০) পুলসিরাতে বিদ্যুতের ন্যায় দ্রুত গতিতে পার করিয়ে দেয়।
(২১) চাহিদা পুরণে তাকে সাহায্য করে।
(২২) কবরে শান্তি ও আরাম অনুভুত হয়।
(২৩) তার জন্য জান্নাতের দরজা খুলে দেয়া হয়।
(২৪) দুনিয়া থেকে পাক পবিত্র হয়ে বিদায় নেয়।
(২৫) সবচেয়ে বড় উপকারীতা হলাে, এতে আল্লাহ্ তাআলার সন্তুষ্টি রয়েছে।
(হাশিয়াতুত তাহতাভী, আল মারাকিল ফালাহ: পৃষ্ঠা ৬৮-৬৯ থেকে সংক্ষেপিত)
──────────────
[আমীরে আহলে সুন্নাত, মুহাম্মদ ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবী دَامَتۡ بَرَکاتُہُمُ الۡعَالِیَہ এর লিখিত রিসালা ‘মিসওয়াক শরীফের ফযিলত’ থেকে সংগৃহীত]

0 Comments