তাওয়াফের সময়ের এগারটি মাকরূহ:
﴾১﴿ অনর্থক কথাবার্তা বলা। ﴾২﴿ জিকির, দোআ বা তিলাওয়াত বা না’ত, মুনাজাত অথবা যে কোন শরয়ী কালাম (যেমন: শের-আশআর বা যে কোন ধরনের বৈধ কাথাবার্তা) ইত্যাদি উচ্চ আওয়াজে করা। ﴾৩﴿ হামদ ও সালাত (আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলে পাকের উপর দরূদ ও সালাম) ব্যতীত অন্য কোন শের পড়া। ﴾৪﴿ অপবিত্র কাপড়ে তাওয়াফ করা। (সতর্কতা হচ্ছে, ব্যবহারের সেন্ডেল অথবা জুতা সাথে নিয়ে তাওয়াফ না করা।) ﴾৫﴿ রমল (চক্কর) অথবা ﴾৬﴿ ইজতিবা (ডান কাঁধ উন্মুক্ত রাখা) অথবা ﴾৭﴿ হাজরে আসওয়াদকে চুমু দেয়া ইত্যাদি কাজের যেখানে যেখানে করার হুকুম রয়েছে তা না করা। ﴾৮﴿ তাওয়াফের চক্কর সমূহের মধ্যে বেশী ব্যবধান করা। (অর্থাৎ এক চক্কর ও অন্য চক্করের মাঝখানে বেশী সময়ের দূরত্ব সৃষ্টি করা) ইস্তিঞ্জার জন্য যেতে পারেন। অযু করে বাক্বী গুলো সম্পূর্ণ করে নিবেন। ﴾৯﴿ এক তাওয়াফ শেষ করার পর উহার দুই রাকাত নামায না পড়ে দ্বিতীয় তাওয়াফ শুরু করে দেয়া। তবে যদি মাকরূহ ওয়াক্ত চলে আসে, তাহলে অসুবিধা নেই। যেমন: সুবহে সাদিক হতে সূর্য উদয় পর্যন্ত, অথবা আসরের নামাযের পর হতে সূর্য ডুবে যাওয়া পর্যন্ত এই সময়ে করা অনেক তাওয়াফ ‘তাওয়াফের নামায’ ব্যতীত জায়েজ হবে। তবে মাকরূহ সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতি তাওয়াফের জন্য দুই দুই রাকাআত নামায আদায় করে দিতে হবে। ﴾১০﴿ তাওয়াফের সময় কোন কিছু খাওয়া। ﴾১১﴿ প্রস্রাব কিংবা বায়ু ইত্যাদি প্রচন্ড বেগ নিয়ে তাওয়াফ করা। (বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ১১১৩ পৃষ্ঠা। আল মাসলাকুল মুতাকাস্যিত লিল কারী, ১৬৫ পৃষ্ঠা)
───────────
‘রফিকুল হারামাঈন’ কিতাবের ১১১-১১২ পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। কিতাবটি ডাউনলোড করুন। আরো ইসলামিক কিতাব পেতে এখানে যান।

0 Comments