ইকামাতের ৭টি সুন্নাত ও আদব
(১) ইকামাত মসজিদের ভিতরে ইমামের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে দেয়া উত্তম। যদি ঠিক পিছনে সুযোগ পাওয়া না যায় তবে ইমামের ডান দিক থেকে দেয়া উচিত। (ফতোওয়ায়ে রযবীয়া হতে সংগৃহীত, ৫ম খন্ড, ৩৭২ পৃষ্ঠা)
(২) ইকামাত আযানের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। (দুররে মুখতার, ২য় খন্ড, ৬৮ পৃষ্ঠা)
(৩) ইকামাতের উত্তর দেয়া মুস্তাহাব। (বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৩৭৩ পৃষ্ঠা)
(৪) ইকামাতের শব্দাবলী তাড়াতাড়ি বলবেন এবং মাঝখানে “ সাক্তা ” অর্থাৎ চুপ থাকবেন না। (প্রাগুক্ত, ৪৭০ পৃষ্ঠা)
(৫) ইকামাতের মধ্যেও حَیَّ عَلَی الصَّلٰوۃ ও حَیَّ عَلَی الفَلَاح এর মধ্যে (বর্ণনা মোতাবেক) ডানে বামে মুখ ফিরাবেন। (দুররে মুখতার, ২য় খন্ড, ৬৬ পৃষ্ঠা)
(৬) ইকামাত দেয়ার অধিকার তারই যে আযান দিয়েছে, আযান প্রদানকারীর অনুমতিক্রমে অন্য কেউ ইকামাত দিতে পারবে। যদি বিনা অনুমতিতে ইকামাত দেয় আর মুয়াজ্জিন এটা অপছন্দ করে তবে মাকরূহ। (আলমগিরী, ১ম খন্ড, ৫৪ পৃষ্ঠা)
(৭) ইকামাতের সময় কোন ব্যক্তি আসল তখন সে (জামাআতের জন্য) দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করাটা মাকরূহ বরং বসে যাবে একই ভাবে যে সকল লোক মসজিদে রয়েছে তারাও বসা থাকবে এবং ঐ সময় দাঁড়াবে যখন মুয়াজ্জিন حَیَّ عَلَی الفَلَاح পর্যন্ত পৌঁছে, এ হুকুম ইমাম সাহেবের জন্যও। (প্রাগুক্ত, ৫৭ পৃষ্ঠা। বাহারে শরীয়াত, ১ম খন্ড, ৪৭১ পৃষ্ঠা)
━━━━━━━━━━━━━━
লিখাটি আমীরে আহলে সুন্নাত হযরত মাওলানা ইলইয়াস আত্তার কাদেরী রযবী (دامت برکاتهم العالية) কর্তৃক লিখিত নামাযের বিস্তারিত মাসাইল সম্পর্কিত “নামাযের আহকাম” নামক কিতাবের ১১৩ নং পৃষ্ঠা হতে সংগৃহীত। কিতাবটি নিজে কিনুন, অন্যকে উপহার দিন।
যারা মোবাইলে (পিডিএফ) কিতাবটি পড়তে চান তারা ফ্রি ডাউনলোড করুন

0 Comments